|
ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোয় মাদ্রাসা ছাত্রীকে বেত্রাঘাত ?
02/24/2008 02:13:23 / don't know
ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোয় মাদ্রাসা ছাত্রীকে বেত্রাঘাত ?
আনতর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে কুমিল্লর নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগন্জ ইসলামিয়া সিনিয়রমাদ্রাসার এক ছাত্রী বেত্রাঘ তের শিকার হয়েছে !!!! ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী মো: গিয়াসউদ্দিন তাকে বেত্রাঘাত করেন । এ ঘটনায় ওই ছাত্রী নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতার ( ইউএনও ) কাছে অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছে । তবে গিয়াস দাবি করেন, বন্ধের দিন মাদ্রাসা এলাকায় আসায় তিনি ঐ ছাত্রীকে কয়েক ঘা বেত্রাঘাত করেন । জানা গেছে মাদ্রাসাছাত্রী মাইমুনা আক্তারের বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মইশাই গ্রামে । সে পাশের নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগন্জ ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার নবম শ্রেনীর ছাত্রী । মাইমুনা জানায়, ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য একুশে ফেব্রুয়ারী সকাল আটটায় সে চাচাতো বোন নারগিস সহ কয়েকজন সহপাঠীদের সাথে বক্সগন্জ উচ্চবিদ্যালয় ও ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার মাঝে অবস্থিত শহীদ মিনারে যায় । এ সময় গিয়াস তাদের ডেকে তাদের ঐ এলাকায় আসার কারন জানতে চান । তারা কিছু বুঝে উঠার আগেই পিয়নের মাধ্যমে অফিস থেকে বেত এনে অন্যান্য ছাত্রীদের সামনে তাকে পেটাতে পেটাতে চারটি বেত ভেঙে ফেলেন । মাইমুনার বাবা মমিনুল হক বলেন, গিয়াসের প্রচন্ড মারে তার মেয়ের জ্বর আসে । তিনি বলেন, ’ ভাষার লাই ( জন্য ) যারা জীবন দিছে তাদের ব্যাকে ( সবাই ) সম্মান দেয়ান ( দেখানো ) উচিত । কিন্তু আমার মাইয়া তাদের সন্মান দিতো যাই আইজ মাইর খাই আইছে । আই এর বিচার চাই । ’ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: সামছুল হক বলেন, ’ শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার কারনে মাইমুনাকে মেরে অফিস সহকারী অবশ্যই অন্যায় করেছেন । আমি আজ ( শনিবার ) পরিচালনা কমিটির সদস্যদের ডেকে বিষয়টি জানিয়েছি । তাদের নিয়েই যা করার করব । গিয়াস দাবি করেন, ছুটির দিনে ঐখানে যাওয়ার কারন বলতে না পারার কারনে সে মাইমুনাকে কয়েক ঘা বেত্রাঘাত করেন ।
|
|
|
MEMBERS COMMENTS
|
|
VIEWING 1 - 5 OUT OF 5 COMMENTS
|
|
|
|